দেশের ২৬ জেলায় ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পানের’ কারণে এই পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ১০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, ও বরগুনা।

এসব তথ্য জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় আম্পান পরবর্তী সার্বিক বিষয়ে অনলাইনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব জেলায় ঘরবাড়ি প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি ও নষ্ট হয়েছে । এসব ঘরবাড়ি সংস্কার ও নির্মাণে প্রতি জেলায় ৫০০ বান্ডল টিন এবং ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ত্রাণের জন্য পর্যাপ্ত চাল ও নগদ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ।ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে খুলনার কয়রা উপজেলার চারটি ইউনিয়নের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় গ্রামগুলো। কয়রা উপজেলা, খুলনা, ২১ মে। ছবি: সাদ্দাম হোসেন
ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে খুলনার কয়রা উপজেলার চারটি ইউনিয়নের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় গ্রামগুলো। কয়রা উপজেলা, খুলনা, ২১ মে। ছবি: সাদ্দাম হোসেন
এনামুর রহমান বলেন, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও পটুয়াখালীতে পাট, আম, লিচু ও মুগ ডালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ধানের তেমন ক্ষতি হয়নি। তবে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার আমের ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া ২০০টি ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার বেশির ভাগ বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলায়।

এনামুর রহমান বলেন, যেহেতু এবার প্রচুর সংখ্যক গবাদি পশুকে নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া সম্ভব হয়েছিল, তাই প্রাণিসম্পদের তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে মৎস্য চাষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে । চিংড়ি ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার অর্থমূল্য প্রায় ৩২৫ কোটি টাকা ।

dsadmin
Author: dsadmin